বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি সম্পর্কিত কিছু কথা: সোহেল রহমান শাস্ত্রী
![]() |
বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি |
বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি সম্পর্কিত কিছু কথা: সোহেল রহমান শাস্ত্রী
বিসিএসে সফলতা প্রাপ্তি দীর্ঘ সময়ের একটি নিরন্তর প্রচেষ্টা ছাড়া যেমন অসম্ভব, তেমনি ভাগ্যও এখানে অনেক বড় ফ্যাক্টর! এই বাস্তবতা মেনে নিয়েই বিসিএসের এই মহাপ্রতিযোগে নামতে হবে। ধৈর্য, একাগ্রতা আর ভাগ্যের প্রতি বিশ্বাস রেখে নিজেকে পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুত করতে পারলেই সফলতা ধরা দিতে বাধ্য। বিসিএসের প্রিলি বাছাই নয়, মূলত ছাটাই পরীক্ষা, যেখানে চার-সাড়ে চার লাখের মধ্যে শতকরা ৯৫-৯৬ জন ছাটাই হয়ে যায়! তাই নিজেকে সেভাবেই প্রস্তুত করুন।
আমি বিসিএসের প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম দ্বিতীয় বর্ষের শেষের দিকে, মোটামুটি বলা চলে পূর্ণরূপ প্রস্তুতি তৃতীয় বর্ষ থেকে। এজন্য আমি প্রায় সবাইকেই বলি তৃতীয় বর্ষই প্রস্তুতি শুরুর উত্তম সময়। আমার শুরুটা হয়েছিল গণিত লিখিত ও বাংলা লিখিত দিয়ে। হ্যা, আমি প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির আগেই এই দুটো বিষয়ে লিখিত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেলেছিলাম। স্কুল-কলেজে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী হওয়ায় গণিতে আমার বেসিক অন্যদের তুলনায় ভালো ছিল। সেকারণে নবম-দশম বা একাদশ-দ্বাদশের শ্রেণি পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক প্রিপারেশন আমার নিতে হয়নি। পরবর্তীতে অবশ্য বন্ধুদের সাথে সমন্বিত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নবম-দশমও করেছিলাম। এতে আমার প্রিলির জন্য আলাদা করে কোন প্রস্তুতি নিতে হয়নি। মেন্টাল এবিলিটিকে আমার সবসময় খুবই সহজ একটা বিষয় বলে মনে হয়েছে।
বাংলা লিখিত রচনা, ভাব-সম্প্রসারণ, চিঠি, সারাংশ ইত্যাদির প্রস্তুতি নেয়ার মত কিছু নেই। সাহিত্য ও ব্যাকরণ লিখিত প্রস্তুতি নিলেই প্রিলিমিনারির প্রায় শতভাগ প্রস্তুতি নেয়া হয়ে যায়। এর বাইরে প্রিলির জন্য শুধু নবম-দশমের ব্যাকরণ পাঠই যথেষ্ট। এই দুটো বিষয়ে লিখিত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আমি প্রিলিমিনারির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে শুরু করি। যেহেতু প্রিলি রেজাল্ট ও লিখিত পরীক্ষার মধ্যবর্তী সময় খুব কম এবং আগামীতে এটি আরও কমে যাবে, তাই আপনারাও দুয়েকটি বিষয়ে লিখিত প্রস্তুতি আগেই নিয়ে রাখতে পারেন।
প্রিলির জন্য বাজারের হাইপ ক্রিয়েট করা বইগুলোকে এড়িয়ে আমি আস্থার জায়গায় শুধু জর্জ সিরিজের এমপিথ্রি বইগুলো রেখেছিলাম। বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক, বিজ্ঞান, কম্পিউটার এসবের ক্ষেত্রে এমপিথ্রিই আমার কাছে এখনো অনেক মানসম্পন্ন বই বলেই মনে হয়। বাংলার জন্য প্রফেসর, সৌমিত্র শেখর স্যারের বই, লাল নীল দীপাবলি, কতো নদী সরোবর, মাহবুবুল আলমের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ইত্যাদি বইগুলোও পড়েছি। ইংলিশ গ্রামারের জন্য প্রস্তুতিমূলক বই তেমন পড়িনি। মিরাকলের বই থেকে রুলসগুলো পরীক্ষার আগে দেখতাম। ইংরেজি সাহিত্যের জন্য মিরাকল লিটারেচার ও কনফিডেন্সের হ্যান্ডনোট পড়েছি। ভোকাবুলারি বাড়ানোর জন্য তেমন কোনো বই পড়িনি, আপনারা পড়বেন। ভূগোল, নৈতিকতা ও সুশাসনের জন্যও এমপিথ্রিই পড়েছি।
২০১৯ সাথে ৩রা মে ছিল প্রিলি। আমি এপ্রিলে প্রফেসরস সিরিজের বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিকসহ আরও দুয়েকটা বই যেগুলো আপডেট হয়- পড়েছিলাম। আমার ৪০তম প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি মূলত এটুকুই। ৪১ ও ৪৩ বিসিএসে এর বাইরে আমি শুধু প্রিসেপ্টর্সের ডাইজেস্ট (৪১) পড়েছি। নেগেটিভ বাদ দিয়ে ৪০তম বিসিএসে ১২২, ৪১তম বিসিএসে ১৩৩ এবং সর্বশেষ ৪৩তম বিসিএসে ১৫০ মার্ক্স পেয়েছি শুধু এটুকু করেই।
তবে একটা বিষয় ক্লিয়ার করা দরকার, আমি শুধু এইসব বইকেন্দ্রিকই ছিলাম না। আমার সাথে আগে থেকে যুক্ত থাকলে আপনারা জেনে থাকবেন আমি এর বাইরেও বাংলা সাহিত্যের নামকরা সব লেখকের পরিচিত প্রায় সব গল্পগ্রন্থ, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনী, কাব্যসংকলন পড়েছি। লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার ক্ষেত্রে এসব বই আমার অনেক কাজে লেগেছে। আপনারাও প্রচুর সাহিত্য-প্রবন্ধ পড়ার চেষ্টা করবেন, এতে আপনার ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। লিখিত নোট করতে পারেন। প্রিলির জন্য নোট করার কোনো যৌক্তিক কারণ আমি খুঁজে পাইনি।
এখন আপনারা যারা সামনে প্রথমবার বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিবেন অথবা আগামীতে অংশ নেয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার কথা ভাবছেন- আমার পরামর্শ মূলত তাদের জন্য। কেননা যারা এ যুদ্ধে নেমেছেন, ইতোমধ্যে বুঝে গেছেন কোনটা করা উচিত, কোনটা যথেষ্ট আর কোনটা না করলেও চলে! তাদের কোনো পরামর্শ না নিলেও চলবে।
বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি:
গণিত ও মানসিক দক্ষতা:
বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা অন্যান্যদের তুলনায় যে ৪৫ মার্ক্সে এগিয়ে থাকেন তার ৩০ মার্ক্সই গণিত ও গণিতকেন্দ্রীক মানসিক দক্ষতায়। এখানে লিখিত প্রস্তুতি নেয়া একজন শিক্ষার্থীর আলাদা করে প্রিলির জন্য তেমন কিছু করতে হয় না। তবে যারা বিজ্ঞানে ছিলেন না, আপনারা বেসিক ভালো করার জন্য নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ (সব নয়, সিলেবাসে যতটুকু মিলে যায়) বইগুলো দেখতে পারেন। একই সাথে প্রিলি ও লিখিত কাভার হয়ে যাবে। এর বাইরেও যারা পড়তে চান, তারা
১. খাইরুলস বেসিক ম্যাথ অথবা
২. আরিফুর রহমানের BCS Shortcut Math
৩. ম্যাথ আওয়ার বা ককটেলের মত বইগুলো দেখতে পারেন (লিখিত)
৪. মানসিক দক্ষতা অনুশীলনের জন্য যেকোনো একটি বই দেখতে পারেন। বিষয় অপরিবর্তিত থাকায় প্রিলি (১৫) ও লিখিত (৫০) উভয় পরীক্ষায় কাজে লাগবে।
বাংলা:
আমরা যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখন অনেক বই-ই বাজারে ছিল না, যেগুলো বর্তমানে খুবই ভালো মানের। আমি সাহিত্যের জন্য লিখিত প্রস্তুতি নিয়েছিলাম এসিওরেন্সের বই থেকে। আপনারা প্রিলির জন্য-
১. অগ্রদূত বা অভিযাত্রিক (যেকোনো একটিই যথেষ্ট)
২. ব্যাকরণ (নবম-দশম নতুন ভার্সন)
৩. ব্যাকরণ এমসিকিউ (নবম-দশম ভিত্তিক)
বইগুলো পড়তে পারেন।
৪. বিখ্যাত সাহিত্যের বইগুলো পড়বেন। যেমন জাতির পিতার বইগুলো, মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, জাতীয় ইতিহাসভিত্তিক নানা বই ইত্যাদি।
ইংলিশ গ্রামার ও লিটারেচার:
গ্রামার বেসিক যাদের নবম-দশমে ভালোভাবে তৈরি হয়েছে, তাদের শুধু নিয়মিত অনুশীলনই যথেষ্ট। বেসিক দূর্বল হলে মিরাকল (প্রথম ১০০ রুলই যথেষ্ট) বা মাস্টার এর মত বইগুলো থেকে প্রাকটিস করতে পারেন। জব সলিউশন থেকে পূর্বের প্রশ্নগুলো প্রাকটিস করলেও আপনারা ভালো কমন পাবেন। প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে আপনারা দেখবেন ঘুরে ফিরে একই টাইপের প্রশ্নই আসে।
ইংলিশ লিটারেচারের জন্য মিরাকল লিটারেচার অথবা কনফিডেন্সের হ্যান্ডনোট অত্যন্ত ভালো বই। যেকোনো একটি বই আত্মস্থ করতে পারলেই আপনি ভালো করবেন। সাহিত্যের ভিতরের কোটেশন দুয়েকটা ছেড়ে আসলেও ক্ষতি নেই, তবে পারলে এসব বাজারের বই থেকেই মুখস্ত করবেন। শেকসপিয়ারের মত নামী কয়েকজন লেখকের সাহিত্য থেকেই কোটেশন আসে বেশি।
ইংলিশ বইয়ের তালিকা:
১. মাস্টার গ্রামার বা মিরাকল গ্রামার
২. মিরাকল লিটারেচার বা কনফিডেন্স হ্যান্ডনোট লিটারেচার
এর বাইরে বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক, ভূগোল, নৈতিকতা, বিজ্ঞান, কম্পিউটার ইত্যাদি বিষয়ের ক্ষেত্রে জর্জ এমপিথ্রি পড়াই যথেষ্ট বলে আমার মনে হয়েছে। প্রিলি পাসের জন্য এটুকুই যথেষ্ট। আপনাকে তো শতভাগ মার্ক্স পেতে হবে না। ১২০-১৩০ নিশ্চিত করুন, এটাই যথেষ্ট। অনেক বেশি ভালো করার চেষ্টাটুকু লিখিত পরীক্ষার জন্য তুলে রাখুন। অমুক ভাই তমুক ভাইয়ের হাইপ তৈরি করা বইগুলো থেকে পারলে দূরে থাকুন। তাদের ব্যবসায়ী কৌশলে নিজে বলি হবেন না।
অপশনাল বইয়ের তালিকা:
যেকোনো একটি জব সলিউশন শুরু থেকেই পড়া উচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন ও প্রশ্নের ধরণ বুঝতে খুবই সহায়ক বই জব সলিউশন। পূর্বের পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো নিয়ে বসে রীতিমত গবেষণা করা সম্ভব এবং বোঝা সম্ভব কি আসে আর কি আসবে! এর বাইরে-
১. বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় (৯ম-১০ম)
২. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান (প্রিলির শুরুতেই এটা মুখস্ত করে ফেলুন)
৩. নিয়মিত চলতি বিষয়াবলির যেকোনো বই
৪. মাধ্যমিক ভূগোল
৫. প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান স্যারের তথ্য- ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৬. শাহ মুঃ আব্দুল হাই-এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সংগঠন ও পররাষ্ট্রনীতি
৭. বিশ্বরাজনীতির একশো বছরসহ তারেক শামসুর রহমানের বইগুলো
৮. লাল নীল দীপাবলি
৯. মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান (৯ম-১০ম)
১০. মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন ইত্যাদি বইগুলো আপনারা পড়তে পারেন। এসব মূলবই না পড়লেও জাস্ট এমপিথ্রি পড়েই প্রিলি পাস করবেন- এটাই বাস্তবতা।
আবারও একটা কথা বলি, বাজারে অমুক-তমুক ভাইয়ের হাইপ-ক্রিয়েট করা বইগুলো যতটা পারবেন না পড়াই উত্তম। কারও বাজার ধরার কূট-কৌশলে ধরা দিয়ে পরীক্ষার এক-সপ্তাহ বা দশদিন আগে বাজারে আসা বইয়ের অপেক্ষায় থেকে নিজের সময় নষ্ট করবেন না। অল্প নম্বরের জন্য খাপছাড়াভাবে অসংখ্য বই পড়বেন না।
যেকোনো একটি বই পড়ুন, খুব ভালোভাবে পড়ুন। দুয়েকটি বিষয়ের প্রতি অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে বাকিগুলো হাতছাড়া করবেন না।অংক না পারলে বাদ দিন। প্রিলিতে অংকে শূন্য পেয়েও টিকে যাওয়া অসম্ভব কোনো ঘটনা না। কোনো একটি বিষয়ের জটিলতায় পাগল হওয়া যাবে না। সুশৃঙ্খল ও বিষয়ভিত্তিক রুটিন করে সিলেবাস শেষ করার চেষ্টা করুন। আপনার আত্মবিশ্বাস এমনিতেই বেড়ে যাবে।
পরীক্ষার আগে:
মে মাসের ২৭ তারিখ পরীক্ষা। আপনি চাইলে (যারা প্রথমবার) এর আগে দিনে দুইটি বা অন্তত একটি করে মডেল টেস্ট দিন। দুই ঘন্টার পরীক্ষা দেড় ঘন্টায় শেষ করার চেষ্টা করুন। চাইলে এই কাজ এখন থেকেই শুরু করতে পারেন। নিজে খাতা কাটুন। বিষয়ভিত্তিক আলাদা আলাদা করে নম্বর হিসেব করে দেখুন কোনটাতে আপনি শক্তিশালী আর কোনটাতে দূর্বল! নিজেকে যাচাই করার এরচেয়ে ভালো উপায় আর নেই। আর এজন্য আপনাকে কোনো কোচিং সেন্টারের দারস্থও হতে হচ্ছে না। চাইলে অনলাইনে ফ্রি পরীক্ষাও দিতে পারেন। আমি নিজেও প্রিলির আগে এভাবে তৈরি হয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ এভাবেই পরপর তিনটি (৪০, ৪১, ৪৩) প্রিলিমিনারি পাস করতে পেরেছি।
বাজারে ভালো মানের অনেক ডাইজেস্ট ও মডেল টেস্ট পাওয়া যায়। এসিওরেন্স, ওরাকল, প্রিসেপ্টরস, ইউনিক বা কনফিডেন্স ইত্যাদির মধ্যে যেটির ডাইজেস্ট পড়বেন, একই প্রকাশনির মডেল টেস্ট কিনবেন না। ডাইজেস্ট ও মডেল টেস্ট দুটি ভিন্ন প্রকাশনী হওয়া উত্তম। বাজারে পাওয়া ওএমআর কাগজ ব্যবহার করতে পারেন অথবা সরাসরি বইয়ে দাগিয়েও পরীক্ষা দিতে পারেন। নিজের উপর ভরসা না থাকলে কোচিং-এ প্রিলি মডেলে অংশ নিতে পারেন।
এভাবে পরীক্ষাপূর্ব দেড়-দুবছরের পরিপূর্ণ প্রস্তুতি ও শতভাগ আত্মবিশ্বাসের পরেও আপনাকে ভাগ্যের উপর নির্ভর করতে হবে। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন, তিনি নিরাশ করবেন না।ভাগ্য আপনার সহায় হোক।
প্রচুর পরিমাণে পড়ুন, রাত জেগে বা দিনে, নিজের রুম, রিডিং রুম বা লাইব্রেরিতে যেখানেই ভালো লাগে সেখানেই পড়ুন। আমি প্রস্তুতি পর্যায়ে একটা দিনের জন্যও লাইব্রেরি বা রিডিং রুমে যাইনি, নিজের রুমেই পড়েছি।মনে রাখবেন, নির্মম সত্য হলো মানুষ দিন শেষে বিজয়ীকেই মনে রাখে। আপনিও জয়ী হোন। লেগে থাকুন, ভালো কিছু হবেই।
শুভকামনা।
লেখক:
সোহেল রহমান শাস্ত্রী
Shohel Rahman Shastry
সহকারী পুলিশ সুপার (সুপারিশপ্রাপ্ত)
মেধাক্রমঃ চতুর্থ (৪র্থ)
৪০তম বিসিএস।
(৪০, ৪১ ও ৪৩ প্রিলি উত্তীর্ণ ও ৪১ ভাইভা প্রত্যাশী)
কৃতজ্ঞতা: জাকির বিসিএস স্পেশাল।
No comments